1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarmukh69@gmail.com : adminbangla :
রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ১০:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
নলছিটির আলোচিত রুম্মান হত্যা মামলা সিআইডিতে বাকেরগঞ্জে ঔষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি দের খামখেয়ালি-পনায় রোগী ও তার স্বজনরা অতিষ্ঠ ইঞ্জিঃ অ্যাড. জি. কে মোস্তাফিজুর রহমান কে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী সমিতির জরুরি সভা বাকেরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় ছাত্রলীগ’র ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বাকেরগঞ্জে এ.এস.টি অবৈধ ইটভাটা গিলছে ফসলি জমি দূষিত করছে পরিবেশ তৃতীয় বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়াকে বাকেরগঞ্জ হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এর শুভেচ্ছা  ঝালকাঠিতে ভূমি অধিগ্রহণের কারণে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চেক বিতরণ বাকেরগঞ্জের ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা, মামলা তুলে নিতে শিক্ষক তুরানের হুমকি আগামী কাল মরহুম আব্দুল মান্নানের ৩৪তম মৃত্যু বার্ষিকী

কীর্তনখোলার জোয়ারে ফের ভাসল বরিশাল নগরী

  • Update Time : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০
  • ১০৬ Time View

বরিশাল ব্যুরো//

অমাবশ্যার প্রভাব বরিশাল নগরীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কীর্তনখোলা নদীর পানি বুধবার বিকেলে বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে নদীর পানি উপচে নগরীর অধিকাংশ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। মাত্র ১৪ দিনের ব্যবধানে কীর্তনখোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবক’টি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে আবারও। এর ফলে মেঘনা তীরবর্তী উপজেলা মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী উপজেলার দুই-তৃতীয়াংশ জনপদ পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ওই তিন উপজেলার চরাঞ্চলের হাজার হাজার পরিবার। ভেসে গেছে ওইসব এলাকার মাছের ঘের। এর আগে পূর্ণিমার প্রভাবে গত ৫ ও ৬ আগস্ট একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বরিশালের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুম জানান, অমবশ্যার প্রভাবে সাগরে অস্বাভাবিক জোয়ার এবং উজানের পানি মেঘনার দিকে প্রবাহিত হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের সবক’টি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নগরী-সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর পানি বুধবার বিকেল ৫টায় বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তখনও পানি বৃদ্ধি পাচ্ছিল। একই সময়ে মেঘনায় বিপৎসীমার ১০৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি বয়ে গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের সব নদীর অবস্থা একই বলে পাউবোর এ প্রকৌশলী জানান।
বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদর রোডে বিকেল ৪টার দিকে জোয়ারের পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। নদীর সঙ্গে সংযোগ থাকা ড্রেন দিয়ে পানি ঢুকে ডুবে যায় নগরীর প্রধান সড়ক সদর রোডের একাংশ। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অশ্বিনী কুমার হল এলাকা ও তার আশপাশের সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যায়। পানি প্রবেশ করেছে অনেক বসতবাড়িতেও। নগরীর নিচু এলাকা হিসেবে পরিচিত কীর্তনখোলার তীরের জনপদ সাগরদী ধান গবেষণা সড়ক, পূর্ব রূপাতলী, জাগুয়া, ভাটিখানা, নিউ ভাটিখানা, আমানতগঞ্জ, রসুলপুর, পলাশপুরসহ আরও অনেক এলাকা হাঁটু পরিমাণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সর্বাধিক সংকটে পড়েছে কীর্তনখোলা তীর-সংলগ্ন রসুলপুর, কলাপট্টি, পলাশপুর, বরফকল ও স্টেডিয়াম বস্তির বাসিন্দারা।
মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার সংবাদকর্মী ইউসুফ সৈকত জানান, উপজেলা সদরের কিছু এলাকা ছাড়া গোটা উপজেলা হাঁটু পরিমাণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একই অবস্থার কথা জানান হিজলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন। মেঘনা তীরবর্তী এ দুই উপজেলার ভেতর দিয়ে বয়ে গেছে অসংখ্য নদীর চ্যানেল ও খাল। যার সবক’টির সংযোগ মেঘনার সঙ্গে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2019 Mohib Khan

Theme Customized By BreakingNews