আদেশ প্রত্যাহার, সোনালী ব্যাংকের এমডি পদে বহাল থাকছেন শওকত আলী খান


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৬, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ন

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে বহাল থাকছেন মো. শওকত আলী খান। তাঁর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের আদেশ জারির এক সপ্তাহ পর তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। এতে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে, শওকত আলী খানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করা হলো।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম জাগো নিউজকে বলেন, আদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় শওকত আলী খান সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখতে পারবেন। তাঁর দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই।

এর আগে গত ১৯ অক্টোবর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক-১ শাখা থেকে পাঠানো চিঠিতে শওকত আলী খানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়ে পরবর্তী বিধিগত কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংক কোম্পানি আইন এবং পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়। সরকারের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে চিঠিটি সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছিল।

জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডিদের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত

একই দিন রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক পিএলসি ও রূপালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়ে চিঠি জারি করেছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

ওই চিঠি অনুযায়ী, জনতা ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. মজিবর রহমানের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়ে সরকারের সুপারিশ ও সম্মতি জানানো হয়েছিল। একইভাবে রূপালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়েও সরকারের সম্মতির কথা জানানো হয়।

চিঠিতে ব্যাংক কোম্পানি আইন ও সংশ্লিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী পরবর্তী বিধিগত কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

তবে সোনালী ব্যাংকের ক্ষেত্রে সেই আদেশ প্রত্যাহার করায় শওকত আলী খানের দায়িত্ব অব্যাহত থাকছে। জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডিদের নিয়োগসংক্রান্ত আদেশের বিষয়ে পরবর্তী কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।