চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় উত্তর তিব্বতের নাগচু এলাকায় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
চীনের তিব্বত অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের (সিইএনসি) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৩৩ মিনিটের দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগচু এলাকায়। এর কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে থাকায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সাধারণত অগভীর ভূমিকম্পে ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি এলাকায় কম্পনের প্রভাব বেশি অনুভূত হতে পারে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নির্ভর করে ভূমিকম্পের মাত্রা, জনবসতির দূরত্ব, ভবনের কাঠামো ও স্থানীয় ভূতাত্ত্বিক অবস্থার ওপর।
অরুণাচলের কাছেও আরেকটি ভূমিকম্প
তিব্বতে ভূমিকম্পের কয়েক মিনিট পর চীনের আরেকটি এলাকায় ভূমিকম্পের তথ্য পাওয়া যায়। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (এনসিএস) তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল অরুণাচল প্রদেশের উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার দূরে। এর গভীরতা ছিল ১৫ কিলোমিটার।
তবে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির মাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
দুটি ভূমিকম্পের মধ্যে কোনো সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলার মতো তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে প্রথম ভূমিকম্পের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
আপনার মতামত লিখুন :