দেশের জ্বালানি বাজারে কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে চালানো অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে সরকার। সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করছেন, যা পরিস্থিতিকে অযথা অস্থিতিশীল করে তুলছে। “চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই,” উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনসাধারণকে অপ্রয়োজনীয় মজুত থেকে বিরত থাকতে হবে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সারাদেশে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং মজুতদারির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে আমদানির পরিকল্পনাও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
মনির হোসেন চৌধুরী জানান, ইন্দোনেশিয়া থেকে নতুন দুটি কার্গো জ্বালানি তেল আসার কথা রয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়া থেকে ৬ লাখ টন পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আবেদন পাঠানো হয়েছে, যার জবাব এখনো পাওয়া যায়নি।
সরকারের হিসাবে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। এপ্রিল মাসে বিভিন্ন চালানের মাধ্যমে আরও প্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন তেল দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এসব সরবরাহ নিশ্চিত হলে আগামী মাসে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই।
আপনার মতামত লিখুন :