রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও সড়কে জমে থাকা আবর্জনা অপসারণে অবহেলার অভিযোগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজির। দুজনকেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, পরিদর্শনের সময় হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্যের পাশাপাশি আগের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনাও সড়কে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সরকার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে দ্রুত বর্জ্য অপসারণে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও কিছু এলাকায় কাঙ্ক্ষিত তৎপরতা দেখা যায়নি। নাগরিক ভোগান্তি কমাতে এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী, পরিবহন ও তদারকি টিম মাঠে কাজ করছে। নগরবাসীকেও নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :