যানবাহনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করল বিপিসি


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : মার্চ ৬, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ন

বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং দেশে তেল মজুতের প্রবণতা বাড়তে থাকায় ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল বিক্রি ও ক্রয়ের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ন্ত্রণমূলক নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশ করে।

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক উত্তেজনার প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য চাপের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও দীর্ঘ লাইনের পাশাপাশি তেল সংগ্রহকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। অনেক গ্রাহক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় ভোক্তাকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে বাধ্যতামূলকভাবে ক্রয় রশিদ দিতে হবে। একই সঙ্গে পরবর্তীবার জ্বালানি সংগ্রহের সময় আগের ক্রয়ের রশিদ বা বিল প্রদর্শন করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ডিলাররা নির্ধারিত বরাদ্দ ও নির্দেশনার ভিত্তিতে রশিদ যাচাই করে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবেন। প্রতিটি ফিলিং স্টেশনকে তাদের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোকে জানিয়ে জ্বালানি উত্তোলন করতে হবে।

তেল বিপণন কোম্পানিগুলোকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ডিলারদের কাছে জ্বালানি সরবরাহের আগে বর্তমান মজুত ও বিক্রির তথ্য পর্যালোচনা করতে। কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত বরাদ্দের বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ করা যাবে না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, এই ব্যবস্থা জ্বালানি সরবরাহের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় মজুত প্রতিরোধে সহায়ক হবে।