কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং ধীরগতির প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতনপ্রাপ্তিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এমপিও কার্যক্রম পরিচালনার কারণে দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত বিলম্ব হচ্ছে।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে পুরো ব্যবস্থাকে স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, এমপিও অনুমোদন পরে হলেও শিক্ষকদের প্রাপ্য বেতন যোগদানের তারিখ থেকেই প্রযোজ্য হওয়ার কথা। তবে বাস্তবে এই নীতির প্রতিফলন এখনো স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে, শিক্ষকদের অভিযোগ—দপ্তরের অভ্যন্তরীণ জটিলতা ও গাফিলতির দায় তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা অন্যান্য শাখায় যদি দ্রুত বেতন প্রদান সম্ভব হয়, তবে কারিগরি খাতে কেন তা সম্ভব হচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু শিক্ষকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা এই খাতের উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দ্রুত বকেয়া পরিশোধ এবং প্রশাসনিক সংস্কার এখন সময়ের দাবি।
আপনার মতামত লিখুন :