মানবিক রাষ্ট্র গড়তে চাই, যেখানে সবাই ন্যায়বিচার পাবেন: প্রধানমন্ত্রী


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ন

ন্যায়বিচারকে সকল নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মানবিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন দেশের সরকারপ্রধান তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, এমন একটি রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে, যেখানে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো নাগরিক ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন না।

মঙ্গলবার রাজধানীতে আয়োজিত জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বক্তৃতায় তিনি উল্লেখ করেন, দেশ বর্তমানে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে অগ্রসর হচ্ছে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই এই অগ্রযাত্রার মূল ভিত্তি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর্থিকভাবে অসচ্ছল নাগরিকদের জন্য সরকার সুপরিকল্পিত আইনগত সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তার ভাষায়, ন্যায়বিচার কেবল আইনগ্রন্থের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তবভাবে প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, ন্যায়পরায়ণতার প্রকৃত অর্থ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন আইন মানুষের ওপর যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ না হয়ে তাদের মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষার নৈতিক অঙ্গীকারে পরিণত হয়। সংবিধান প্রদত্ত অধিকার সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিচার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার বিলম্ব মানেই অনেক ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়া। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে মামলার আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে বিচার ব্যবস্থার ওপর চাপ কমে এবং দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করা যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারপ্রধানের এই বক্তব্য দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আরও সহজলভ্য ও জনবান্ধব করার নীতিগত অবস্থানকে সামনে এনেছে, যা ভবিষ্যতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।