এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি, দৈনিক ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস কমে তীব্র সংকটের শঙ্কা


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : জুলাই ২১, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ন

মহেশখালীর এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনালগুলোতে কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (৪৫ কোটি ঘনফুট) রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি (আরএলএনজি) জাতীয় গ্রিডে কম সরবরাহ হচ্ছে। এতে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও আবাসিক গ্রাহকদের তীব্র স্বল্পচাপের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

মঙ্গলবার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলোর কারিগরি ত্রুটির কারণে সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকদের গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।

তবে কোন এলএনজি টার্মিনালে কী ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে, কখন থেকে সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে কিংবা কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে—এসব বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি তিতাস।

এর আগে সোমবারও তিতাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, গ্যাস সরবরাহ ঘাটতির কারণে তাদের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকেরা মারাত্মক স্বল্পচাপের সমস্যায় পড়েছেন। তখন সংকটের কারণ উল্লেখ করা না হলেও মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তিতে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটিকেই এর মূল কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনিক ৪৫০ এমএমসিএফডি গ্যাসের ঘাটতি শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নগর এলাকার দৈনন্দিন গ্যাস ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। দ্রুত কারিগরি ত্রুটি সমাধান না হলে সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।