বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট’ প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ছায়া বাজেট উপস্থাপন করেন।
বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপনকালে তিনি বলেন, এই বাজেট কোনো রাজনৈতিক দলের জন্য নয়; বরং দেশের ১৮ থেকে ২০ কোটি মানুষের কল্যাণকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এর সফল বাস্তবায়নের জন্য সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো বাজেটই বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সরকার যে বাজেটই দিক না কেন, এসব উপাদান অনুপস্থিত থাকলে জনগণ তার সুফল পাবে না।”
বাজেট আলোচনায় তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক নির্বাচন নিয়েও বক্তব্য দেন। তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের মতামত ও গণভোটের রায় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান অর্থবছরের কাঠামো (জুলাই-জুন) পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। তার মতে, অর্থবছরের শেষ দিকে বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তড়িঘড়ি করার প্রবণতা দেখা যায়, যা অনেক ক্ষেত্রে অপচয় ও অনিয়মের সুযোগ সৃষ্টি করে।
জামায়াত আমির প্রস্তাব করেন, বাংলাদেশের অর্থবছরকে আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও কার্যকারিতা আসতে পারে।জামায়াতের
আপনার মতামত লিখুন :