মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ন

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে কারাগারে থাকা সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এ কে এম জামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগ নেতা তানভীর হাসান সৈকতকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলায় মাকসুদ কামাল ও জাফর ইকবাল ছাড়াও আসামি করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শায়ান এবং সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতকে।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার ভূমিকার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় গত ১৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল।

অভিযুক্তদের মধ্যে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, এ কে এম জামাল উদ্দিন ও তানভীর হাসান সৈকত বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদের পলাতক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মাকসুদ কামাল ও জাফর ইকবালসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে আজকের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার মাধ্যমে মামলাটি এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে এগোবে। তবে অভিযোগ আমলে নেওয়া বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া নিজেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য নয়; অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।