দুদকের তদন্তে এনবিআরের শীর্ষ ১৭ কর্মকর্তা


দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১৯, ২০২৫, ৮:০৭ অপরাহ্ন

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ১৭ জন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে। দুদকের তথ্যানুসন্ধানে তাদের বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল সম্পদের প্রমাণ মেলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কমিশনের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।

দুদকের মহাপরিচালক জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও পর্যালোচনায় উক্ত কর্মকর্তাদের নিজ নামে বা পরিবার-স্বজনের নামে বৈধ আয়ের তুলনায় অস্বাভাবিক পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণেই তাদের কাছে সম্পদ ও দায়দেনার বিস্তারিত হিসাব চেয়ে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এই তালিকায় এনবিআরের সদস্য, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক, যুগ্ম কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত কর্মকর্তারা রয়েছেন।

যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন সদস্য মো. লুৎফুল আজিম, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আলমগীর হোসেন, যুগ্ম কমিশনার মো. তারিক হাসান, অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু, কমিশনার কাজী মো. জিয়া উদ্দিন, কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুর রশিদ মিয়া, উপকর কমিশনার মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলাম, অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানা, যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দিন খান, উপকর কমিশনার মোনালিসা শাহরিন সুস্মিতা, সদস্য এ কে এম বদিউল আলম, অতিরিক্ত কমিশনার হাসান তারেক রিকাবদার, অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ মামুন মিয়া, অতিরিক্ত কমিশনার সাহেলা সিদ্দিক, কমিশনার লোকমান আহমেদ এবং কর কমিশনার এম এম ফজলুল হক।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের তথ্য পাওয়ায় এই কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সম্পদ বিবরণী চাওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একসঙ্গে এত সংখ্যক সিনিয়র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর ঘটনাকে দুদকের একটি বড় ও смеল পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।