এটা কি আমার বাপের টাকায় করছে’, ফলকে নাম দেখে উপদেষ্টা


দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২৪, ২০২৫, ৬:১৫ অপরাহ্ন

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের উদ্বোধনে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। নামফলকে নিজের নাম দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি ক্ষোভভরে বলেন, “এটা কি আমার বাপের টাকায় করছে? তাহলে আমার নাম কেন থাকবে? এটা এখনই বদলাও।”

পরে নামফলক উন্মোচন না করেই রোববার বেলা ১১টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া টোল প্লাজার পাশে ফিতা কেটে এক্সপ্রেসওয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। এর মাধ্যমে খুলে দেওয়া হলো এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের ১৮ কিলোমিটার অংশ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নাজমুল করিম খান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিনসহ অনেকে।

উদ্বোধনের আগে বক্তৃতায় উপদেষ্টা বলেন, আশপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সড়ক নির্মাণ ব্যয় অনেক বেশি। দুর্নীতি কমাতে পারলে এই খরচ ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমানো সম্ভব। পাশাপাশি সড়ক নির্ভরতা কমিয়ে রেলপথ, নদীপথ ও আকাশপথে পরিবহন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের মে মাসে। ভোগড়া থেকে মদনপুর পর্যন্ত বিস্তৃত এ প্রকল্পের ৮০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ২০২৬ সালের জুন নাগাদ পুরো প্রকল্প হস্তান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এরই মধ্যে ১৮ কিলোমিটার অংশ যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও নিরাপত্তা ও গতি নিশ্চিত করতে এক্সপ্রেসওয়েতে সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি আংশিকভাবে টোল আদায়ও শুরু হচ্ছে।