প্রবীণ বুদ্ধিজীবী, লেখক ও রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমর আর নেই। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।
উল্লেখ্য, বদরুদ্দীন উমর ছিলেন দেশের স্বাধীন বিবেকের এক প্রতীক। তিনি দীর্ঘ জীবনকাল ধরে জনগণের স্বার্থে রাজনীতি করেছেন, কলম ধরেছেন এবং সবসময় রাজনীতির দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক জলন্ত প্রতিবাদ হিসেবে কাজ করেছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “মরহুম বদরুদ্দীন উমর বারবার রাজরোষে পড়া সত্ত্বেও আদর্শ বাস্তবায়নে ছিলেন আপসহীনভাবে স্থির। কোনো ভীতি বা হুমকি তাকে তার কর্তব্যকর্ম থেকে নিবৃত করতে পারেনি। স্বৈরতন্ত্রকে উপেক্ষা করে তিনি স্বাধীন মতামত প্রকাশে কখনোই কুণ্ঠিত হননি। তিনি এদেশে স্বাধীন বিবেকের এক প্রতীক।”
একই সঙ্গে বদরুদ্দীন উমরের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “আমৃত্যু তিনি জনগণের স্বার্থে রাজনীতি করেছেন ও কলম ধরেছেন। বিদ্যমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে তার মতো নির্ভিক মুক্তচিন্তার বুদ্ধিজীবীর বেঁচে থাকা খুব জরুরি ছিল।”
তারেক রহমান আরও যোগ করেছেন, “বদরুদ্দীন উমর বামপন্থি প্রগতিশীল রাজনীতির পথিকৃৎ, লেখক, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবী। ‘৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশমাতৃকার স্বাধীনতা এবং সব স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাঁর চিন্তা ও লেখনিসহ সক্রিয় তৎপরতা ছিল অবিস্মরণীয়। তার গবেষণাধর্মী গ্রন্থগুলো পাঠক সমাজের কাছে এক অমূল্য সম্পদ।”
বদরুদ্দীন উমরের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তারেক রহমান শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :