মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী

নির্বাচনে সুষ্ঠুতা নিশ্চিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একগুচ্ছ কর্মপরিকল্পনা


বাংলার মুখ ডেস্ক প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১২, ২০২৫, ৫:৩৪ অপরাহ্ন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

রোববার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসিদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরা, বাড়তি টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নির্বাচনি প্রশিক্ষণের আওতায় প্রায় দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে ১৩০টি ভেন্যুতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যা আগামী জানুয়ারির মাঝামাঝি শেষ হবে।

এছাড়া আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৮৫ হাজার সদস্যকে প্রাক-নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে—এর মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার অস্ত্রসহ ও ৪ লাখ ৫০ হাজার নিরস্ত্র সদস্য থাকবে। বিজিবির ১১০০ প্লাটুনে ৩৩ হাজার সদস্য এবং প্রায় ৮০ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের পুনরায় দায়িত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনি সীমানা পুনর্নির্ধারণ ঘিরে কোনো অস্থিতিশীলতা যাতে না ঘটে, সেজন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সেফ এক্সিট প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “কে কী চান, সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। আমি দেশে আছি, সেফ এক্সিট নিয়ে আমার কিছু করার নেই।” অভিযুক্ত সেনাসদস্যদের বিষয়ে তিনি বলেন, “তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আইনি প্রক্রিয়াতেই নেওয়া হবে।”

ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।