ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বছরের ৫ অথবা ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে পারে—এমন দুটি সম্ভাব্য তারিখ ধরে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে ৪ অথবা ৭ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা হতে পারে। পাশাপাশি একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের বিষয়টিও কমিশনের আলোচনায় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ পেলেই কমিশন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেবে।
তবে গণভোটের সময় ও বিষয়বস্তু নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো মতৈক্য হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সাম্প্রতিক এক বৈঠকেও এ নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল রাজনৈতিক দলগুলোকে দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, “যদি গণভোট করতেই হয়, তবে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে করলে ব্যয় সাশ্রয় হবে।” তাঁর মতে, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে একই দিনে দুই কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব।
ইসি ইতোমধ্যে ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। এবার ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ১২ হাজার ৩৮৪ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৬১। পাশাপাশি নতুন তিনটি দলকে নিবন্ধন দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।
প্রথমবারের মতো বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী ভোটাররা ডাকযোগে (আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট) ভোট দিতে পারবেন বলেও জানিয়েছে ইসি। পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ১০ লাখের বেশি জনবল যুক্ত থাকবে।
রোজার আগে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন, আর তার আগে ডিসেম্বরেই তফসিল—এমনি ধরণাই এখন স্থির ধরে কাজ চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
আপনার মতামত লিখুন :