গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, অধ্যাদেশ অনুমোদন


বাংলার মুখ ডেস্ক প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৬, ২০২৫, ৫:০৪ অপরাহ্ন

দেশে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন অধ্যাদেশে গুমকে চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, গোপন আটক কেন্দ্র বা ‘আয়নাঘর’ স্থাপন ও ব্যবহারকেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই আইনের আওতায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও বিশেষ তদন্ত কমিশন গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা পাবে।

নতুন অধ্যাদেশ অনুসারে, গুম সংক্রান্ত মামলার বিচার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব বলেন, অতীত সরকার আমলে দেশে হাজারো গুম সংঘটিত হয়েছে; গুম প্রতিরোধ কমিশনে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে এবং প্রকৃত সংখ্যা চার হাজারের বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই বৈঠকে ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকাও অনুমোদন করা হয়েছে।