সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ব্যক্তিগত বাড়ির সৌন্দর্যবর্ধন ও অবকাঠামোগত কাজের নামে রাষ্ট্রের প্রায় ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ের অভিযোগ তদন্তে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি বলছে, এই ব্যয় ছিল “অযৌক্তিক” এবং “ব্যক্তিগত সুবিধা” অর্জনের জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থের অপপ্রয়োগ।
রবিবার দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন,
“দুদক কারও পদমর্যাদার প্রতি বিবেচনাযোগ্য নয়; অভিযোগের সত্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতাই আমাদের একমাত্র মানদণ্ড।”
অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর নিকুঞ্জ–১ এলাকার লেকড্রাইভ রোডের ৬ নম্বর প্লটে অবস্থিত সাবেক রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত তিনতলা ডুপ্লেক্স বাড়ির চারপাশে সৌন্দর্যবর্ধন, সাজসজ্জা ও বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে এই বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব শেষে আবদুল হামিদ পরিবারসহ এই বাড়িতেই বসবাস শুরু করেন।
দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাড়িটির আশেপাশে সরকারি অর্থে “অস্বাভাবিক ব্যয়” এবং “হস্তক্ষেপমূলক অনিয়ম” হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগই আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে দুদককে প্রভাবিত করেছে।
তদন্ত শুরু হলে, রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের প্রকৃতি, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং বরাদ্দ ব্যবহারের বৈধতা–সব দিকই খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আপনার মতামত লিখুন :