বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পরও দেশে দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থামেনি; বরং “গুপ্ত পরিচয়ের” কিছু শক্তি নতুন করে জালিমের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। বুধবার বরিশাল নগরীর বেলস পার্কে এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের রায়ের মধ্য দিয়েই রাষ্ট্র চলবে এবং আসন্ন নির্বাচনে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী প্রকাশ্যে নারীদের নিয়ে অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করছে এবং জনগণকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছে—যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।
তিনি বলেন, “যারা নারীসমাজকে সম্মান করতে জানে না, তাদের কাছে মানুষের মর্যাদা আশা করা যায় না।” কুমিল্লায় এক নেতার বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি এসব মন্তব্যকে ক্ষমতার অহংকারের প্রকাশ বলে আখ্যা দেন।
বরিশালের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তারেক রহমান নদীভাঙনকে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয় উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। তিনি ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভুল সিদ্ধান্ত নিলে তার মাশুল দিতে হবে জনগণকেই।
আপনার মতামত লিখুন :