যশোরে এক অনুষ্ঠানে সরকারের জ্বালানি নীতির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশের ভোক্তাদের ওপর মূল্যবৃদ্ধির চাপ না বাড়াতে সরকার প্রতিদিন গড়ে ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।
শুক্রবার দুপুরে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেলেও দেশের বাজারে তা সমন্বয় না করে সরকার সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, জ্বালানির দাম বাড়লে এর প্রভাব বিদ্যুৎ, গণপরিবহন ও নিত্যপণ্যের দামে পড়তে পারে—যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। এই প্রেক্ষাপটে সরকার মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সচেষ্ট রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানির চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যেখানে আগে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা ছিল প্রায় ১২ হাজার টন, সেখানে ঈদ-পূর্ব সময়ে তা বেড়ে ২৪ থেকে ২৫ হাজার টনে পৌঁছেছে। একইভাবে পেট্রল ও অকটেনের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। অতীতে চালু হওয়া ভাতা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার বিভিন্ন নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলে উল্লেখ করেন। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী এবং কৃষকদের জন্য পৃথক সহায়তা কর্মসূচি চালুর বিষয়ও তিনি তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের শেষে ১৫৩ জন সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তির হাতে এককালীন আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।
আপনার মতামত লিখুন :