:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::
গত জুলাই মাসে দেশের সড়কগুলো রূপ নেয় মৃত্যুফাঁদে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মাসজুড়ে ঘটে যাওয়া ৪৪৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪১৮ জন মানুষ। এছাড়াও মারাত্মক ও slightভাবে আহত হয়েছেন ৮৫৬ জন। সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্রটি দেখা গেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়, যেখানে ১৩১টি ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১০৯ জন, যা মোট মৃত্যুর ২৬ শতাংশেরও বেশি।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের করা তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে ঢাকা বিভাগে ঘটেছে সর্বোচ্চ ১১৭টি দুর্ঘটনা, যাতে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সর্বনিম্ন দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে, ২৯টি ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে রাজধানী ঢাকা জেলায় ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৩৪ জন প্রাণ হারান। অন্যদিকে, জয়পুরহাট জেলায় মাত্র তিনটি দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু সবচেয়ে কম। শুধুমাত্র ঢাকা মহানগরীতেই ২৬টি দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৩৮ জন আহত হন।
সংগঠনটি সড়ক দুর্ঘটনার জন্য একাধিক কারণ চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও অসুস্থতা, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি। এ পরিস্থিতি করতে দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি, চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, বিআরটিএ’র সক্ষমতা বাড়ানো, ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ, মহাসড়ক থেকে slow-speed vehicles সরিয়ে আলাদা service road তৈরি, সব মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের মতো সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই মাসে সড়কের পাশাপাশি অন্যান্য transport sector-ও unsafe ছিল। চারটি নৌ-দুর্ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২১টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত ও ৭ জন আহত হন। এসব ঘটনায় transport system-এর সার্বিক দুরবস্থাই ফুটে উঠেছে।
আপনার মতামত লিখুন :