আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন করা হবে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’। অক্টোবরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ। জাদুঘরে ১৯৭৫ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড, গুম-খুন-আয়নাঘর, শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড এবং ভোট ডাকাতিসহ শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনের সব প্রমাণ ও নৃশংসতার চিত্র সংগ্রহ ও প্রদর্শিত হবে।
শনিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে নির্মাণকর্তারা এই তথ্য জানান। জাদুঘরের কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও গুম বিষয়ক তদন্ত কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।
জাদুঘরে প্রদর্শনী কেন্দ্র থাকবে, যেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনের প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া গুম-খুনের অডিও রেকর্ডিংসহ বিভিন্ন দলিল প্রদর্শিত হবে।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস জানান, জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের মধ্যে দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সচেতনতা তৈরি করবে। সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, জাদুঘরটি শেখ হাসিনার শাসনের সময়কালের ইতিহাস জীবন্তভাবে তুলে ধরবে।
জাদুঘরের গবেষক ও নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই জাদুঘর দর্শনার্থীদের গণভবনে ৫ আগস্টের জনতার ঢল এবং দুঃশাসনের ইতিহাসের বাস্তবতা অনুভব করাবে।
আপনার মতামত লিখুন :