গাজা অভিমুখে থাকা কনশানস নৌযানটি তার সামনে থাকা আটটি নৌযানকে ছুঁয়ে ফেলেছে। কনশানসের উচ্চ গতির কারণে এ ঘটনা ঘটলেও এখন গতি কমিয়ে সব নৌযান একসঙ্গে এগোচ্ছে। দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম শনিবার দুপুরে ফেসবুকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
কনশানস হলো আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) এবং থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি) নৌবহরের একটি জাহাজ। এফএফসি ইসরায়েলের অবরোধ ভাঙতে ও গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর বৈশ্বিক প্রচেষ্টার অংশ। তবে এই বহরে কোনো খাদ্যসামগ্রী নেই।
শহিদুল আলম লিখেছেন, হাজারো জাহাজের এই উদ্যোগ প্রতীকী হলেও এটি এখন পর্যন্ত সমুদ্রযানের সবচেয়ে বড় বহর। কনশানস নৌযানটি সবচেয়ে বড় ও শেষ অবস্থান থেকে রওনা হলেও দ্রুতগতির কারণে আটটি আগে রওনা করা নৌযানকে ছুঁয়ে গেছে। এখন সব নৌযান সমানভাবে এগোচ্ছে।
গাজার অবরোধ ভাঙার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করে তিনি বলেছেন, “আমরা অবরোধ ভাঙতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যদি আমাদের আটকানো হয়, তখন অন্যরা এগিয়ে আসবে। দমন-পীড়নকারী কখনোই জনগণের শক্তির বিরুদ্ধে টিকতে পারেনি। ইসরায়েলও ব্যর্থ হবে। মুক্ত হবে ফিলিস্তিন।”
ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, কনশানসে ২৫টি দেশের সাংবাদিক ও স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। মিশনটি গত বুধবার শুরু হয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ও চিকিৎসকবাহী জাহাজ হিসেবে গাজা অভিমুখে রওনা হয়েছে।
দুই বছর ধরে ইসরায়েল বিদেশি সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিয়ে আসছে। এই সময়ে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ওপর হামলার খবর পাওয়া গেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২৭০ জনের বেশি সাংবাদিক নিহত, অনেকে আটক বা কারাগারে রয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :