মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে বুধবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। বাংলাদেশের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত “জেল-প্রিজনভ্যান” লেখা সবুজ গাড়িতে তাদের কারা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়।
বুধবার ভোর ৪টা থেকে আদালতের আশপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। সকাল ৭টায় প্রিজনভ্যান ট্রাইব্যুনাল গেটে প্রবেশ করে এবং আসামিদের সকাল সোয়া ৮টায় আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন প্যানেলের আদালতের কার্যক্রম আধা ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়। এরপর আসামিদের পুনরায় প্রিজনভ্যানে পাঠানো হয়।
ট্রাইব্যুনাল একইসঙ্গে গুমের মামলায় পলাতক ১৩ আসামিকে এক সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে।
কারাগারে পাঠানো ১৫ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৪ জন বর্তমানে কর্মরত থাকলেও একজন এলপিআরে রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (এলপিএর), র্যাব গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম এবং বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম। এছাড়া ডিজিএফআই-এর সাবেক তিন কর্মকর্তা মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজাহার সিদ্দিকীও উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :