রাজধানীর বাজার

কিছু সবজির দাম কমেছে, মাছ-মাংসে স্বস্তি নেই এখনো


বাংলার মুখ ডেস্ক প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৪, ২০২৫, ১২:১৮ অপরাহ্ন

রাজধানীর বাজারে শীতকালীন সবজির আগাম সরবরাহ বাড়ায় কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে মাছ ও মাংসের বাজার এখনো চড়া দরে স্থিতিশীল রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা ও জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে শিমের দাম কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমে এখন ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে টমেটোর দামও কেজিতে ৩০–৪০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় নেমেছে।

সরবরাহ বাড়ায় পটোল, ঢেঁড়স, কচুমুখী, লাউয়ের দামও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। পটোল ও ঢেঁড়স কেজিতে ৭০–৮০ টাকা, কচুমুখী ৫০–৬০ টাকা, আর লম্বা লাউ প্রতি পিস ৬০–৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম কমে এখন ১৬০–২০০ টাকা কেজিতে দাঁড়িয়েছে।

তবে বেগুন, করলা, ঝিঙা, বরবটি, ফুলকপি, মিষ্টিকুমড়ার মতো জনপ্রিয় সবজিগুলোর দাম এখনো আগের উচ্চতায় রয়েছে। বেগুন বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ১০০ থেকে ১৮০ টাকায়, ফুলকপি প্রতি পিস ৬০–৮০ টাকায়।

সবজি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ আরও বাড়লে আগামী সপ্তাহগুলোতে বাজারে স্বস্তি ফিরতে পারে।

অন্যদিকে মাছ ও মাংসের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০–১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০–৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই মাছ কেজিতে ৩৫০–৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০–২৫০ টাকা, কই ২৪০–২৫০ টাকা এবং চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০ থেকে ১০০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাড়তি দামের কারণে ফার্মের ডিমের চাহিদা বেড়ে গেলেও গত এক সপ্তাহে কিছুটা কমে এখন প্রতি ডজন ১৪০–১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মসুর ডাল এখনো উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে—ছোট দানা কেজিতে ১৬০ টাকা, মাঝারি ১৩০–১৪০, আর বড় দানা ১১৫–১২৫ টাকা। দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৮০–৮৫ টাকায় স্থিত রয়েছে।