১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে ২০১০ সালে যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিলেন শেখ হাসিনা, দেড় দশক পর সেই আদালতই তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে।
ক্ষমতাচ্যুত এ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গঠিত দু’টি ট্রাইব্যুনাল এ পর্যন্ত ৫৫টি মামলার রায় দিয়েছে। এসব রায়ের ভিত্তিতে ছয়জন উচ্চপর্যায়ের আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে—যাদের পাঁচজনই জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ। বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর দণ্ডও একই আদালতে কার্যকর হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে অগ্রাধিকার পাচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ের হত্যাকাণ্ড ও গুম–নির্যাতনের অভিযোগ। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ শাসনামলের গুম ও হত্যাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে।
বিদ্রূপাত্মকভাবে, আদালত অবমাননার একটি মামলায়ও নিজের প্রতিষ্ঠিত এই ট্রাইব্যুনাল থেকে ছয় মাসের কারাদণ্ড পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওতে ‘২২৬ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়েছি’—এমন মন্তব্য বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হয়, যার পর প্রসিকিউশনের আবেদনে ট্রাইব্যুনাল ওই দণ্ড দেয়।
আপনার মতামত লিখুন :