দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শুক্রবার সকালের ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে। নরসিংদীতে সবচেয়ে বেশি পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ঢাকা, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জেও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনরত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
রাজধানীর আরমানিটোলায় একটি ভবনের ছাদের রেলিং ভেঙে তিনজন নিহত হন। একই ঘটনায় আহত হয়ে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম পরে মারা যান।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে গাছ কাটার সময় ভূমিকম্পে ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে গিয়ে মারা যান সুজিৎ দাস (৩৮)। স্থানীয় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রূপগঞ্জে ভূমিকম্পের সময় বাইরে বের হতে গিয়ে সীমানাপ্রাচীর ধসে পড়ে ১০ মাসের শিশু ফাতেমার মৃত্যু হয়। শিশুটির মা ও এক প্রতিবেশী আহত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন।
নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় ঘরের দেয়াল ধস, গাছ থেকে পড়ে যাওয়া এবং আতঙ্কজনিত দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন—নরসিংদী জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহতদের মধ্যে একজন ১০ বছরের শিশু ও এক বৃদ্ধ কৃষকও রয়েছেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :