কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যা কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। কক্সবাজার শহর, উখিয়া, চকরিয়া এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে মানুষ কম্পন টের পেয়েছে, তবে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের নাচুয়াং এলাকা, গভীরতা ছিল প্রায় ১০৭ কিলোমিটার। একই তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসও নিশ্চিত করেছে। প্রভাবিত অঞ্চলের তালিকায় রয়েছে মিয়ানমারের সাগাইং, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ।
স্থানীয়দের অনেকে হঠাৎ ধাক্কায় ঘুম থেকে জেগে ওঠার কথা জানান। উখিয়ার কলেজ শিক্ষক মৃদুল শর্মা বলেন, “হঠাৎ মনে হলো ঘর নড়ে উঠল, কম্পন তুলনামূলক বেশি মনে হয়েছে।” কক্সবাজারের গৃহিণী জোবাইদা করিম জানান, “পুরো বিল্ডিংটা কেঁপে উঠেছিল, কিছুটা ভয় পেয়েছি।”
২১ নভেম্বর নরসিংদীতে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১০ জনের মৃত্যু হওয়ার পর থেকে এটি দেশে কয়েক দিনের ব্যবধানে অষ্টম ভূমিকম্প, যা মানুষের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :