জুলাই–আগস্টের আন্দোলনকে ঘিরে হত্যা ও গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীসহ ১৭ জনকে সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। কেরানীগঞ্জ ও কাশিমপুরসহ বিভিন্ন কারাগার থেকে কঠোর নিরাপত্তায় তাদের আনা হয় এবং একে একে হাজতখানায় নেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের বেঞ্চে আজ মামলার অগ্রগতি নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
হাজির হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক সচিব জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক এমপি ফারুক খান, সাবেক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী ও শেখ হাসিনার সাবেক শিল্প–বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ আরও কয়েকজন।
এর মধ্যে আনিসুল হক, ইনু, সালমান এফ রহমান এবং জুনাইদ পলকের বিরুদ্ধে পৃথক ফরমাল চার্জ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। ইনুর মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ রেখে গণহত্যায় সহযোগিতার অভিযোগে সজীব ওয়াজেদ জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করেছে ট্রাইব্যুনাল। জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।
এর আগে ১৫ অক্টোবর পৃথক মামলায় সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রসিকিউশন একাধিকবার সময় চাইলেও এখনো প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।
সোমবার সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা জোরদার ছিল। আগতদের তল্লাশি শেষে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।
আপনার মতামত লিখুন :