আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও সম্ভাব্য গণভোটকে সামনে রেখে দেশের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কাউন্সিলের এক বৈঠকে তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে তথ্যপ্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো এবং গুজব, মিসইনফরমেশন ও সাইবার অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা জরুরি। নাগরিক সেবার বড় একটি অংশ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চলে যাওয়ায় এসব ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সরকারের অগ্রাধিকার।
প্রধান উপদেষ্টা সাইবার সুরক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার হালনাগাদ এবং জনবল দক্ষতা বৃদ্ধির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা মূল্যায়নে একটি রেটিং ব্যবস্থার কথাও বলেন তিনি। আর্থিক খাতে সাইবার অপরাধে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় না দেওয়ার বিষয়েও জোর দেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, ইতিমধ্যে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে ‘ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তালিকা আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি ও বিটিআরসির সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, ব্যাংকিং খাতের সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও উপস্থাপন করা হয়।
উল্লেখ্য, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর আওতায় গঠিত ২৫ সদস্যের এই কাউন্সিলের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
আপনার মতামত লিখুন :