ঘুষ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক কমিশনার মো. জহুরুল হককে প্রায় তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। বুধবার সকালে তিনি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হন এবং দুপুর দেড়টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে যান।
দুদক সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে প্রধানত রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও সম্পদ বিবরণীতে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। অভিযোগ রয়েছে, জহুরুল হকের স্ত্রীর নামে প্লট থাকা সত্ত্বেও ২০১৪ সালে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তা উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি নজরে না পড়ার কথা জানান।
দুদক আরও জানায়, তদন্তাধীন মামলার আসামিদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ, বড় দুটি টেলিকম অপারেটরের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া এবং অর্থ পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে। প্রয়োজন হলে তাকে পুনরায় তলব করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন রেট কমিয়ে রাষ্ট্রের বিপুল ক্ষতির অভিযোগে জহুরুল হকের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :