বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এক বছর আগে শুরু হওয়া প্রত্যাহার প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) ও পররাষ্ট্র দপ্তর।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, ডব্লিউএইচও তার মূল লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে সংস্কার ও জবাবদিহিতায় ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির শুরুতে সংস্থাটির ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অসন্তোষ রয়েছে। প্রশাসনের মতে, বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণায় দেরি এবং কিছু সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী ছিল।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে তুলনামূলকভাবে বেশি অর্থায়ন করলেও নেতৃত্বে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক না থাকার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। ডব্লিউএইচওর হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত ১৩৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান এখনো বকেয়া। তবে হোয়াইট হাউসের দাবি, এ অর্থ পরিশোধে আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ডব্লিউএইচও ছাড়লেও যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য কার্যক্রমে সক্রিয় থাকবে। বর্তমানে বিশ্বের ৬৩টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের দুই হাজারের বেশি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করছেন এবং শতাধিক দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় স্বাস্থ্য সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার বিষয়ে আগামী ফেব্রুয়ারিতে সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের বৈঠকে আলোচনা হবে এবং সেখান থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।
আপনার মতামত লিখুন :