প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ক্ষমতার প্রথম প্রহরে স্মৃতি ও উত্তরাধিকার: জিয়া উদ্যানে তারেক রহমানের নীরব শ্রদ্ধা


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ন

রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম দিনেই ইতিহাস, স্মৃতি ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করলেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার দুপুরে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে তিনি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর সমাধিতে—যাদের নাম দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের কেন্দ্রে অবস্থান করছে।

দুপুর ১২টার পর প্রধানমন্ত্রী একাই প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। কিছুক্ষণ পর মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আবারও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। আনুষ্ঠানিকতার বাইরে, সেখানে কয়েক মিনিটের নীরবতা ছিল চোখে পড়ার মতো—যেন তা ব্যক্তিগত শোক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের মাঝামাঝি এক স্থির মুহূর্ত।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুরো আয়োজন ছিল সংযত, নিরাবরণ এবং প্রতীকী—যা নতুন সরকারের শুরুর সুরকেই স্পষ্ট করে।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে পুনরায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি, রাষ্ট্র পরিচালনার সূচনালগ্নে ইতিহাসের প্রতি আনুগত্যের বার্তা তুলে ধরে।

মঙ্গলবার বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেয়। শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পরই, মঙ্গলবার রাতে তিনি সপরিবারে জিয়া উদ্যানে এসে বাবা ও মায়ের কবর জিয়ারত করেন—একটি ব্যক্তিগত সফর, যা বুধবারের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে এসে রূপ নেয় রাজনৈতিক প্রতীকে।

নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো এভাবেই—শব্দের চেয়ে নীরবতায়, ঘোষণার চেয়ে স্মৃতিতে।