প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশের নিরাপত্তা জোরদারে সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করবে।
তিনি বলেন, দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতার সঙ্গে সীমান্তে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য।
জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বুধবার শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহতদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। ওই ঘটনায় শহীদ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ও মোট ৭৪ জনের আত্মত্যাগকে জাতির ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার ঘটনা ছিল জাতীয় নিরাপত্তার ওপর আঘাত; এর স্মৃতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংরক্ষণ করা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দায়বদ্ধতা। এ লক্ষ্যে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিকে অম্লান রাখতে সরকার কাজ করবে।
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে রাষ্ট্র গঠনে এই বাহিনীর অবদান অপরিসীম। আন্তর্জাতিক বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আধুনিক ও শক্তিশালী করা হবে বলেও তিনি জানান।
শহীদ পরিবারগুলোর কল্যাণে শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র তাদের পাশে থাকবে—আজও, আগামীতেও।
আপনার মতামত লিখুন :