ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা-রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো রোববার জানিয়েছে, দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন।
তাসনিম নিউজ ও ফার্স নিউজ-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত করে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার কথাও জানায়।
ইরানি গণমাধ্যমের ভাষ্যে, শনিবার সকালে তেহরানে খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এর পরপরই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনির মৃত্যুর দাবি করেন। তেহরান শুরুতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি স্বীকার না করলেও রোববার সকালে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারে তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়।
খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন এবং নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর তার প্রভাব ছিল গভীর। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের এক দশক পর তিনি দায়িত্ব নেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর।
তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তথ্য যাচাই এখনো চলমান। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো—যেমন CNN ও Axios—ঘটনার বিবরণ ও দাবিগুলো আলাদা সূত্রে মিলিয়ে দেখছে।
আপনার মতামত লিখুন :