দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় খাল খননের মাধ্যমে সারা দেশে একযোগে ৫৪টি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের সাহাপাড়া এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন তিনি।
এর আগে সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে সৈয়দপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সড়কপথে তিনি কর্মসূচিস্থলে যান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে কোদাল হাতে খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পানির সংকট এবং সেচব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা ছিল। খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় কৃষি উৎপাদন ও পানিনির্ভর জীবিকার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশা করছেন।
উদ্বোধনের পর সেখানে আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মসূচি শেষে তিনি দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্থানে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি তার নিকটাত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন—যাদের মধ্যে রয়েছেন তার নানা মরহুম মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হক।
পরে স্থানীয় সুধীজন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ারও কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচির ইতিহাস দীর্ঘদিনের। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ উদ্যোগ শুরু করেছিলেন। বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ নিশ্চিত করাই ছিল এর প্রধান লক্ষ্য। সে সময় দেশজুড়ে প্রায় ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করা হয়েছিল।
আপনার মতামত লিখুন :