বৃহস্পতিবার সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

হাজির করা আসামিরা হলেন—পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৪ জুন প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রসিকিউশন অভিযোগপত্র জমা দিলে ট্রাইব্যুনাল ৩০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। শুনানি শেষে গত বছরের ৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।

মামলায় মোট ২৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন, যার মধ্যে নিহতের বাবা মুকুল হোসেন প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে জানুয়ারিতে যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয় এবং পরবর্তীতে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

আজকের রায়কে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নয়, বরং গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ন্যায়বিচার প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।