যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে কূটনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যেই। ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শান্তিচুক্তি না হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম।
একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু হতে পারে।
গত ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। এই সময়ের মধ্যে ইসলামাবাদ-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হলেও দীর্ঘ বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। ফলে দ্বিতীয় দফার সংলাপ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম Bloomberg-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ হয়ে যাবে এবং সেই পরিস্থিতিতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তার ভাষায়, “চুক্তি না হলে অভিযান শুরু হওয়া অবশ্যম্ভাবী।”
অন্যদিকে, তেহরানও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো ধরনের চাপ বা হুমকির পরিবেশে তারা আলোচনায় বসবে না। তাদের মতে, সমান মর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই কেবল সংলাপ সম্ভব।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পথকে আরও জটিল করে তুলছে। একদিকে সামরিক চাপ, অন্যদিকে রাজনৈতিক অবস্থানের কঠোরতা—এই দ্বৈত বাস্তবতায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আপনার মতামত লিখুন :