২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু-আহত অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল বাংলাদেশ


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : জুলাই ২১, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে নিজেদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, বৈশ্বিক সড়ক নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনা (২০২১-২০৩০)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিনির্ভর নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)ভিত্তিক গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি চিকিৎসা ও উদ্ধারসেবা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষ করে মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা বাড়াতে লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও Safe System Approach অনুসরণ করে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন ও অনুমোদনের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের মতে, সড়ক নিরাপত্তা এখন জাতীয় অগ্রাধিকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এ লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য।

বাংলাদেশ সকল সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

এছাড়া, সড়ক নিরাপত্তায় বহুখাতভিত্তিক সমন্বয় ও দুর্ঘটনা কমাতে সফল দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময়বিষয়ক একটি সাইড ইভেন্টেও যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন সেতুমন্ত্রী।