দিল্লিতে বিক্ষোভে নিরাপত্তা জোরদার, বন্ধ ১৬ মেট্রো স্টেশন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুলাই ২২, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ন

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ফেসবুকভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র ডাকা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বুধবার (২২ জুলাই) সকাল থেকে নিরাপত্তাজনিত কারণে লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে রাজীব চক, মান্ডি হাউস ও সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটে ইন্টারচেঞ্জ সুবিধা চালু রয়েছে।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে। এ ইস্যুতে সংসদ অভিমুখে কর্মসূচি দেয় সিজেপি। এতে হাজারো মানুষ অংশ নেওয়ায় রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং যান চলাচল ও মেট্রো সেবায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

এদিকে বিক্ষোভে পুলিশি দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে তিনি, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা এবং কংগ্রেসের কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে দিল্লি পুলিশ আটক করে। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আটকের সময় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, বিক্ষোভ দমনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা প্রার্থনা এবং শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থার দ্রুত সংস্কার।