মিথ্যা মামলা ও পারিবারিক ষড়যন্ত্র ধূলিসাৎ: সিআইডি রিপোর্টে কাজী তারেক শামসের পক্ষে সত্যের জয়


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ন

​প্রতিষ্ঠাতা ও মূল উদ্যোক্তাকে তার নিজের রক্তঘামে গড়া প্রতিষ্ঠান থেকে উৎখাত করতে স্বজনদের চক্রান্ত, জালিয়াত চক্রের কুৎসা আর ক্ষমতার দাপট দেখানোর এক জঘন্য চিত্র উন্মোচিত হয়েছে।

সততা, মেধা আর ২২ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে ‘লেকশোর’ (Lakeshore) হোটেলকে সফলতার চূড়ায় পৌঁছে দেওয়া সফল উদ্যোক্তা কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে ভাই-বোনদের একজোট হয়ে ষড়যন্ত্রের থাবা বসানো আধুনিক কর্পোরেট ও পারিবারিক ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। মূলত লেকশোর নিয়ে কাজী তারেক শামস ও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে এই বিরোধের সূত্রপাত। বিশেষ করে ‘লেকশোর’ হোটেলের মালিকানা, ১% শেয়ার হস্তান্তর মামলা ও কুৎসা রটনার ঘটনা ঘটেছে। অথচ নথিপত্র, ব্যাংক ডকুমেন্ট ও সিআইডির (CID) নিরপেক্ষ ফরেনসিক প্রতিবেদন চাক্ষুষ প্রমাণ দিচ্ছে যে, ১% শেয়ার আত্মসাৎ, প্রতারণা ও স্বাক্ষর জালিয়াতির সব অভিযোগ স্রেফ বাতাস থেকে বানানো মিথ্যা গল্প। পারিবারিক সম্পত্তির ন্যায্য বণ্টন পেয়েও চরম লোভে অন্ধ হয়ে এক সফল ভাইকে নিঃস্ব ও অপরাধী বানানোর এই মরিয়া চেষ্টা আইন ও সত্যের মুখোমুখি হয়ে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।

লেকশোরে নিজের অফিস কক্ষে কাজী তারেক শামস

​এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও তাদের অবস্থান পর্যালোচনা করলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মূল পক্ষ কাজী তারেক শামস লেকশোর হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রতিষ্ঠানটির মূল প্রতিষ্ঠাতা। শুরুতে তার মা লেকশোরের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং বর্তমানে মাতা কাজী মমতাজ শিরিন ও তারেক শামস দুজনেই মালিক। কাজী মমতাজ শিরিন সরাসরি ভিডিও বার্তায় তারেক শামসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং কাজী আশফাকের বিরুদ্ধে মা হয়েও শেষ পর্যন্ত মামলার করার কথা বলেছেন। তারেক শামসের বিরুদ্ধে আনীত স্বাক্ষর জালিয়াতি, শেয়ার আত্মসাৎ ও প্রতারণার সকল অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেছেন মা মমতাজ শিরিন। অন্যদিকে মামলাটির বাদী কাজী আশফাক, যিনি কাজী তারেক শামসের আপন ভাই। তিনি পাঁচ তারকা হোটেল ‘সিক্স সিজনসে’র চেয়ারম্যান এবং এই হোটেলের এমডিও কাজী তারেক শামস এবং ৫০% শেয়ারের মালিক। তা সত্ত্বেও আজ ১৪ বছর ধরে সিক্স সিজনসে কাজী তারেক শামসকে পেশী শক্তি ব্যবহার করে ঢুকতে বাধা প্রদান করছেন কাজী আশফাক। অপর সৎ-ভাই কাজী এহসানুল হক চক্রান্তকারীদের সঙ্গী না হয়ে সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে কাজী তারেক শামসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সৎ-বোন ফারজানা ও তার স্বামী, কাজী রাশেদুল হক এবং কাজী আশফাক তারেক শামসের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন এবং অভিযোগ তোলেন যে, তারেক শামস বাবার স্বাক্ষর নকল করে ১% শেয়ার ও সম্পত্তি নিজের নামে হস্তান্তর করেছেন। এছাড়া ২০২৩ সালে তারা বাবা-মাকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন বা পাগল’ হিসেবে ঘোষণার জন্য আইনি পদক্ষেপ নেন। এই প্রক্রিয়ায় কথিত মাসুদ নামে একজন সাবেক কর্মচারীর মুখ্য ভূমিকা রয়েছে, যিনি কাজী তারেক শামসের প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত বা চলে যাওয়া একজন ব্যক্তি এবং অভিযোগকারীদের উস্কানি দেওয়া, মিথ্যা তথ্য রটানো ও রাজসাক্ষী হওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। অপরদিকে যে জমিতে লেকশোর প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠেছে, তার মূল মালিক কাজী তারেক শামস ও তার আপন মা, যিনি শক্তভাবে তারেক শামসের পক্ষে রয়েছেন। কাজী তারেক শামসের বাবা প্রতিষ্ঠানের ১% শেয়ারের মালিক ছিলেন এবং ২০২৩ সাল থেকে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন, তবে শেয়ার হস্তান্তরের ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২১ সালে যখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন। পরিবারের একমাত্র জীবিত আপন চাচা কাজী হাবিবুল হক, যিনি একজন সাবেক সিএসপি অফিসার, তিনি কাজী তারেক শামসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং মামলার আইনি প্রক্রিয়ার অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন। তিনি সরাসরি ভিডিও বার্তায় তারেক শামসের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সত্য বক্তব্য তুলে ধরেছেন। ঘটনার শুরুতে তেজগাঁও থানার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা টাকার বিনিময়ে বা প্রভাব খাটিয়ে অন্যায়ভাবে কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সত্যতার রিপোর্ট প্রদান করেন। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশনায় সিআইডি জালিয়াতি পরীক্ষা ও ফরেনসিক তদন্ত পরিচালনা করে।

​অভিযোগসমূহের চুলচেরা বিশ্লেষণ ও আইনি তথ্য-উপাত্ত পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, সিআইডি ব্যাংক থেকে সংগৃহীত বাবার ৯টি মূল কার্ড ও স্বাক্ষরের নমুনা নিয়ে ফরেনসিক ও স্বাক্ষর যাচাই সম্পন্ন করেছে। সিআইডি রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্বাক্ষর সম্পূর্ণ নিখুঁত ও সঠিক অর্থাৎ স্বাক্ষর জালিয়াতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সিআইডির এই নিরপেক্ষ ফরেনসিক রিপোর্টে চক্রান্তকারীদের মুখে চুনকালি পড়েছে। শেয়ার হস্তান্তরের ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১২৮৪ (Form 117) ফর্মের মাধ্যমে ২০২১ সালে পিতা স্বেচ্ছায় ও সুস্থ মস্তিষ্কে ১% শেয়ার তারেক শামসকে হস্তান্তর করেন। জয়েন্ট স্টকের নিয়ম মেনেই কমিশনের মাধ্যমে তা করা হয়েছিল। অভিযোগকারীদের দাবি ছিল পিতা মানসিক সুস্থ ছিলেন না, কিন্তু বাস্তবতা হলো বাবা কাজী শামসুল হক বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হন ২০২৩ সালে। অথচ শেয়ার হস্তান্তর এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত চুক্তিগুলো সম্পন্ন হয়েছিল তার অনেক পূর্বে অর্থাৎ ২০১৬ ও ২০২১ সালে। সৎ-বোনেরা সম্পত্তি ও শেয়ার দখল করতে ২০২৩ সালে এসে পিতাকে ‘পাগল বা অক্ষম’ ঘোষণা করার জন্য আইনি আবেদন দায়ের করে যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। বিজ্ঞ আদালত স্বশরীরে মায়ের বক্তব্য শুনে বিরোধী পক্ষের দাবিকে মিথ্যা প্রমাণ করে পিতাকে সম্পূর্ণ সুস্থ ঘোষণা করেন। আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করে আদালত থেকে ইস্যুকৃত সমন বা নোটিশ কাজী তারেক শামসের কাছে পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি। প্রতিপক্ষ প্রভাব খাটিয়ে সমন গোপন রেখে সরাসরি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার চক্রান্ত করেছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি জানতে পেরে তারেক শামস উচ্চ আদালত ও সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থিত হয়ে আইনগতভাবে জামিন লাভ করেন। সিআইডির হস্তরেখা বিশারদ ও ফরেনসিক রিপোর্টে বাবার স্বাক্ষর সঠিক প্রমাণিত হওয়ায় জালিয়াতির মূল অভিযোগ আইনিভাবে খারিজ হয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানের জমির মূল মালিক তারেক শামসের মা এবং তার একমাত্র জীবিত চাচা তারেক শামসের পক্ষে গত ৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে লেকশোর হোটেলে প্রত্যক্ষ ভিডিও বার্তায় সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।
এই মামলায় প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তার পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন ও সমন গোপন করে পরোয়ানা বের করার প্রক্রিয়াটি আদালতে প্রকাশ পেয়েছে।
​কাজী শামসুল হকের পারিবারিক সম্পত্তি হস্তান্তর, আর্থিক লেনদেন ও আইনি বাধ্যবাধকতার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সম্পত্তি ও স্বার্থ নিষ্পত্তির সূচনা ঘটে ১৪-০৮-১৯৯৯ তারিখের কাজী মমতাজ শিরীন (কাজী তারেক শামস ও কাজী আশফাক শামসের মা)-এর এক ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে। আর্থিক সুবিধা গ্রহণের বিনিময়ে ফারহানা জাহানসহ অন্যান্য সৎ ভাই ও বোনেরা অঙ্গীকার করেন যে কাজী শামসুল হকের অন্যান্য সম্পত্তি, বাড়ি, জমি, ব্যাংক ব্যালেন্স বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর তিনি বা তার ওয়ারিশগণ ভবিষ্যতে কোনো দাবি বা আপত্তি জানাতে পারবেন না। সিআইডির ফরেনসিক তদন্তে জালিয়াতির অভিযোগ ভুল প্রমাণিত হওয়া এবং শেয়ার হস্তান্তর ও সম্পত্তি সংক্রান্ত যাবতীয় চুক্তি ২০২০ সাল বা তার পূর্বে সম্পাদিত হওয়ায় ২০২৩ সালে পিতাকে ‘অক্ষম’ দেখিয়ে দায়ের করা পূর্ববর্তী চুক্তি বাতিলের আবেদনসমূহ আইনিভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
​পারিবারিক সম্পত্তি, কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর এবং স্বজনদের অব্যাহত মানসিক হয়রানি নিয়ে নিজের অবস্থান ও সুনির্দিষ্ট বিবরণ গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরে কাজী তারেক শামস। গত বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে লেকশোর হোটেলে নিজের কক্ষে তিনি স্পষ্ট করেন যে, তার পিতা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় ও নিজ ইচ্ছায় তাকে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করেছিলেন। যে শেয়ার তিনি তার পিতাকে দিয়েছিলেন, পিতাও তারেক শামসকে ফেরত দেন। যা ছিল একটি স্বাভাবিক পারিবারিক সমঝোতা। এই হস্তান্তরের বাইরে কোম্পানি বা এর শেয়ারে অন্য কোনো পক্ষের কিংবা পরিবারের আর কারো কোনো প্রকার আইনগত বা নৈতিক স্বত্ব কখনো ছিল না। পিতার নিকট থাকা ১% শেয়ারও মূলত ছোট ছেলেকে দেওয়া হয়েছিল, যা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর অন্য কোনো স্বজনের এখানে অধিকার দাবি করার সুযোগ সম্পূর্ণভাবে অবলুপ্ত হয়েছে। সম্পত্তি বণ্টনের বিষয়ে তিনি জানান, তার পিতা অত্যন্ত দূরদর্শী ছিলেন এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো বিবাদ তৈরি না হয়, সে জন্য জীবদ্দশাতেই চার সন্তানের মধ্যে তাদের ন্যায্য প্রাপ্য সম্পত্তি ও ফ্ল্যাট বণ্টন সম্পন্ন করে গেছেন। শুধু তাই নয়, ২০০৪, ২০০৯ এবং ২০১০ সালে প্রতিটি সন্তানের কাছ থেকে লিখিত ‘না-দাবি’ (No Claim) চুক্তিপত্র ও না-দাবি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আইনগতভাবে পরিবারের আর কারো এই সম্পত্তিতে নতুন করে অধিকার দাবি করার সুযোগ নেই।

​প্রতিপক্ষ স্বজনদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে কাজী তারেক শামস বলেন, পূর্বে ওই স্বজনেরা তাকে ও তার পিতাকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বা পাগল দাবি করে বিজ্ঞ আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছিল, কিন্তু আদালত স্বশরীরে তাদের বক্তব্য শুনে বিরোধী পক্ষের দাবিকে মিথ্যা ও সাজানো প্রমাণ করে দুজনকে সম্পূর্ণ সুস্থ ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন যে পিতার সাথে সাক্ষাৎ করতে হলে পুলিশের সহায়তা নিয়ে যেতে হবে, কিন্তু সেই আদেশ অমান্য করে গত ২০ জুলাই, ২০২৬ তারিখে বিবাদীরা জোরপূর্বক বাসায় প্রবেশ করে এবং সম্পত্তি নিজেদের নামে লিখে দেওয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এই ধারাবাহিক নির্যাতন ও নিরাপত্তাহীনতার প্রেক্ষিতে তার মাতা সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য হন। নিজের ও পরিবারের অবদানের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তিনি ‘লেকশোর’ হোটেল পরিচালনা করে আসছেন। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি নিজ উপার্জনে ভাই-বোনদের আগলে রাখা ছাড়াও ভাতিজা-ভাতিজিদের উচ্চশিক্ষা ও ব্যারিস্টারি পড়ার সার্বিক খরচ বহন করেছেন। যার প্রয়োজনীয় যাবতীয় প্রমাণাদি তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। তার মতে, একজন পিতা ও ছোট ভাই হিসেবে যারা নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে পরিবারের সবাইকে মানুষ করলেন এবং শক্ত ভিত্তি গড়ে দিলেন, শেষ বয়সে এসে তাদেরই মিথ্যা মামলা, ষড়যন্ত্র ও চরম অবমূল্যায়নের শিকার হতে হচ্ছে। কোনো পিতা বা ভাইয়ের সাথে যেন এর পুনরাবৃত্তি আর না ঘটে—এটিই তার মূল আকুল আবেদন।

উল্লেখিত সিআইডি রিপোর্ট, ব্যাংক ডকুমেন্ট, জমির মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র এবং পরিবারের মূল সদস্যদের (মা ও চাচা) প্রত্যক্ষ বক্তব্যের ভিত্তিতে এটি স্পষ্ট যে, কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে আনীত স্বাক্ষর জালিয়াতি, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাথের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানানো ও পারিবারিক ষড়যন্ত্রের ফসল। আইনগত ও নৈতিক—উভয় দিক থেকেই কাজী তারেক শামস সম্পূর্ণ নির্দোষ।