জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) নামের নতুন রাজনৈতিক জোট আত্মপ্রকাশ করেছে। ঘোষণায় বলা হয়েছে—গত ক্ষমতাসীন শাসনকালে ও বর্তমান সরকারের দমননীতির ফলে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে; বিশেষ করে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আটকে রাখার চেষ্টা হচ্ছে—এবং তা প্রতিহত করা হবে।
ফ্রন্টের আভাসে বলা হয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও আইনের শাসনভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। দুর্নীতি-দমন, বৈষম্য দূরীকরণ, বিদেশী আধিপত্যমুক্ত এবং আত্মনির্ভরস্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের প্রতিশ্রুতি এনডিএফ দিয়েছে। তারা জানায়—জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলবে।
ঘোষণাপত্রে দেশের ভূ-প্রকৃতি, নদী-জলাশয় ও জনজীবনের Vulnerability তুলে ধরে সামাজিক ন্যায়বিচার, পরিবেশরক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তি ও উৎপাদন ব্যবস্থায় মানুষের কল্যাণকেই প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কালো অর্থের রাজত্ব, লুটপাট ও বিদেশী স্বার্থে দেশের সম্পদের অবক্ষয় বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।
এনডিএফ মানবিক ও সামাজিক উচ্চারণে জোর দিয়ে বলেছে—শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, বাসস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেই মানুষকে জীবনের ন্যূনতম অধিকার দিতে হবে। ৭১ ও সাম্প্রতিক আন্দোলনের আদর্শকে মাথায় রেখে নতুন রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে বলেও জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
ঘোষণাপত্রে সমগ্র রাজনৈতিক মহলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৈষম্য, শোষণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। দল-মত নির্বিশেষে জনমত গড়ে তোলায় মধ্য দিয়ে শাসকগোষ্ঠীকে কাউন্টার করতে রাজি তারা; সময় এসেছে স্বাধীনতার চেতনাকে সজীব করে দেশকে নতুনভাবে গড়ার—এটাই তাদের সংক্ষিপ্ত বার্তা।
এনডিএফ বলেছেন—সরকারি অবরোধ-নিরোধ ও আইনগত বাঁধা থাকলে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শ্লেষ হবে না; প্রয়োজনে গণঅন্দোলন ও গণআন্দোলনের মাধ্যমেও তাদের লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা চালানো হবে।
আপনার মতামত লিখুন :