:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বয়কটের হুমকিদানকারী দল ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “যারা নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচালের চেষ্টা করবে বা বয়কট করবে, তারা জাতীয় রাজনীতির মানচিত্র থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।” তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
একই সাংবাদিক সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমদ গুলশান চাঁদাবাজি কাণ্ডে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উপদেষ্টার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি দাবি করেন, “এই ঘটনার গভীর তদন্ত না হলে উপদেষ্টাদের ভূমিকা নিয়ে জনমনে আরও প্রশ্ন দেখা দেবে।” তার এই মন্তব্য এসেছে এমন সময় যখন গ্রেফতারকৃত বাগছাস নেতা জানে আলম অপুর জবরদস্তিমূলক স্বীকারোক্তির দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার স্ত্রী কাজী আনিশা।
গত বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে জানে আলম অপু দাবি করেছিলেন, তিনি একজন সরকারি উপদেষ্টার সাথে গুলশানের একটি হোটেলে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে পরদিন জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার স্ত্রী কাজী আনিশা দাবি করেন, এই স্বীকারোক্তি জোরপূর্বক আদায় করা হয়েছে। এই বক্তব্য ঘটনাটিকে নতুন মোড় দিয়েছে।
গুলশানের আওয়ামী লীগ নেত্রী শাম্মী আক্তারের বাসায় চাঁদাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ডিবি’র বিশেষ অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাগছাসের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত চার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা থাকলে তা তদন্তে উঠে আসবে কিনা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল।
আপনার মতামত লিখুন :