শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫ রান। দাসুন শানাকার করা প্রথম বলেই বাউন্ডারি মেরে ম্যাচ সমতায় আনেন জাকের আলি। তবে পরের বলেই বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। তবুও উত্তেজনার শেষ হয়নি। শেখ মেহেদি হাসান রিভিউতে আউট হয়ে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত নাসুম আহমেদ ও শামীম হোসেনের ঠাণ্ডা মাথার দৌড়ে চার উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান শূন্য রানে ফিরলেও সাইফ হাসান ও লিটন দাস দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন। লিটন করেন ২১ রান। পরের ধাপে সাইফের সঙ্গে জুটি গড়ে তাওহিদ হৃদয় ম্যাচের ভিত গড়ে দেন। সাইফ ৬১ রানের দারুণ ইনিংস খেললেও হৃদয় আরও আক্রমণাত্মক হয়ে মাত্র ৩৭ বলে ৫৮ রান করেন।
শেষ দিকে জাকের আলির ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস (৯ রান) ম্যাচকে সহজ করে দেয়। শেষ দুই বলে প্রয়োজন ছিল ১ রান, নাসুম-শামীমের সমন্বয়ে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত জয়।
এর আগে শ্রীলঙ্কা ব্যাটিংয়ে ভরসা পেয়েছিল দাসুন শানাকার ঝড়ো ইনিংসে। তিনি মাত্র ৩৭ বলে অপরাজিত ৬৪ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ছয়টি ছক্কা ও তিনটি চার। নির্ধারিত ২০ ওভারে লঙ্কানদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৬৮। বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজুর রহমান ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন, মেহেদি হাসান নেন ২ উইকেট।
নাটকীয় জয়ের মধ্য দিয়ে সুপার ফোর পর্ব শুরু করল বাংলাদেশ, যা দেবে দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস।
শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১৬৮/৭ (শানাকা ৬৪*, কুশল মেন্ডিস ৩৪, নিশাঙ্কা ২২, আসালাঙ্কা ২১, কুশল পেরেরা ১৬; মোস্তাফিজ ৩/২০, মেহেদী ২/২৫)।
বাংলাদেশ: ১৯.৫ ওভারে ১৬৯/৬ (সাইফ ৬১, হৃদয় ৫৮, লিটন ২৩, শামীম ১৪*; শানাকা ২/২১, হাসারাঙ্গা ২/২২)।
ফল: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সাইফ হাসান।
আপনার মতামত লিখুন :