বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুল দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন


স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ন
বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুল দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের জন্য তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে দায়ী করেছে এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি।
নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরে বাংলাদেশকে ছাড়াই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে এক সংবাদ সম্মেলনে ২২ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। তদন্ত কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর বলেন, বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ভূমিকা ছিল। একই সঙ্গে ওই সময়ের সরকারকেও এ সিদ্ধান্তের জন্য দায়ী করা হয়েছে। তাঁর মতে, বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া উচিত ছিল।

বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও প্রতিবাদ হয়। এরপর বিষয়টির কারণ অনুসন্ধানে বর্তমান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় তদন্তের উদ্যোগ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম অলিউল্ল্যাকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন ও আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর।

দীর্ঘ কয়েক মাসের তদন্তে ক্রিকেটার, বিসিবি কর্মকর্তা, কোচ ও গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। ক্রিকেটারদের মধ্যে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস ও টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, সাবেক বোর্ড কর্মকর্তা ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল হক, বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, তৎকালীন জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং বিসিবির সাবেক পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিমের সাক্ষাৎকারও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হয়েছে।

তবে যাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদনে অভিযোগের কথা এসেছে, তাদের মধ্যে তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং ওই সময়ের বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বক্তব্য নিতে পারেনি তদন্ত কমিটি। কমিটির ভাষ্য, তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।