পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করে নতুন একটি ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এই একীভূতকরণের পর বর্তমান সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ভাগ্যে কী ঘটবে—তা এখনো স্পষ্ট করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ধোঁয়াশা ও গুজবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
বাজারে একের পর এক গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। কখনো বলা হচ্ছে—একীভূত ব্যাংক গঠনের পর শেয়ারহোল্ডাররা কিছুই পাবেন না, আবার কখনো বলা হচ্ছে—তারা আংশিক সুবিধা পাবেন। এসব গুজবে পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারের দামে একের পর এক দরপতন ঘটছে। সাম্প্রতিক সময়ে দিনের সর্বনিম্ন দামেও এসব ব্যাংকের শেয়ারের কোনো ক্রেতা নেই।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মো. শাকিল রিজভী বলেন, “পাঁচ ব্যাংক একীভূত হলে শেয়ারহোল্ডারদের কী হবে, সে বিষয়ে দ্রুত পরিষ্কার ধারণা দেওয়া জরুরি।”
একই দাবি জানিয়েছেন ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “বিষয়টি পরিষ্কার না করায় বাজারে গুজব ছড়াচ্ছে এবং সার্বিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘ব্যাংক রেজ্যুলেশন অর্ডিন্যান্স–২০২৫’ অনুযায়ী একীভূত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে, যা শেষ হতে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে।
এরই মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার তাগিদ দিয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :