বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল আগামী জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, “নির্বাচন যেন সঠিক সময়ে না হয়, এমন কিছু শক্তি চেষ্টা করছে। এটা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।”
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা করছি যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করছি, কিছু দল নির্বাচন বিলম্বের পাঁয়তারা করছে।”
তিনি আরও বলেন, এখন দেশের জন্য জরুরি একটি রাজনৈতিক সরকার, কারণ অর্থনীতি, রাজনীতি ও শিক্ষাব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে নির্বাচিত সরকারের বিকল্প নেই।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “জাতীয় সংস্কার কমিশন অল্প সময়ের মধ্যেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজ শেষ করতে পেরেছে, যা পরিবর্তনের পর অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল।”
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপির সংস্কারের ধারাবাহিকতা অনেক পুরোনো—“তারেক রহমানের ৩১ দফা, খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’, এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি—সবই জনগণের ক্ষমতায়নের রূপরেখা।”
ফখরুল বলেন, “বিএনপি গণতন্ত্রের পুনর্জন্ম দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট জিয়া গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করেছেন। মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষা, নারী অধিদপ্তর—সবই বিএনপির অবদান।”
তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস মুছে ফেলতে পারেনি কেউ। কারণ ইতিহাস তাঁকে ধারণ করেছে।”
তারেক রহমান সম্পর্কে ফখরুল বলেন, “তিনি শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পতাকা বহন করছেন। ইনশাল্লাহ, তাঁর নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম। বক্তব্য দেন অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, আবদুল হাই শিকদার, মওদুদ আলমগীর পাভেল, মাহদী আমিনসহ অনেকে।
আপনার মতামত লিখুন :