দেশজুড়ে শৈত্যপ্রবাহ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পুরোনো রেকর্ডের স্মৃতি


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ৯:৩৭ অপরাহ্ন

কয়েকদিন ধরে সারাদেশে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একসঙ্গে ২১টির বেশি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে অনেক এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না।

বছরের শেষ দিন বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৬টায় সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

এর আগে দেশের বিভিন্ন সময়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার একাধিক রেকর্ড রয়েছে। ১৯৯৬ সালে দিনাজপুরে ৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি, ২০০৩ সালে রাজশাহীতে ৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি, ২০১১ সালে যশোরে ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি, ২০১৩ সালে সৈয়দপুরে ৩ ডিগ্রি এবং ২০১৭ সালে কুড়িগ্রামে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র শীত অনুভূত হয় ২০১৮ সালে। সে বছরের ৮ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে আসে ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। একই দিনে সৈয়দপুরে ২ দশমিক ৯, ডিমলায় ৩, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৩ দশমিক ১ এবং দিনাজপুরে ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। ওই দিন রংপুর বিভাগের আট জেলার সবকটিতেই তাপমাত্রা ছিল ৫ ডিগ্রির নিচে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, অতীতেও দফায় দফায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহের নজির রয়েছে। ১৯৬৮ সালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।