ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ যুদ্ধবিমান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রইরান-এর মধ্যে চলমান টানাপোড়েন নতুন মাত্রা পেয়েছে। পেন্টাগন গত ২৪ ঘণ্টায় অঞ্চলে অন্তত ৫০টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে, যার মধ্যে এফ-৩৫, এফ-২২ ও এফ-১৬ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি তেহরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক চাপ বাড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত।

ওয়াশিংটনের দাবি, পরমাণু ইস্যুতে সমঝোতা ব্যর্থ হলে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত রয়েছে। জবাবে তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে নৌ-মহড়া শুরু করেছে; সাময়িকভাবে জলপথের একটি অংশ বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন নৌবহর মোকাবিলায় ইরানের কাছে বিধ্বংসী সক্ষমতা রয়েছে।

সংঘাতের আবহেই জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। মার্কিন দলে ছিলেন জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আলোচনা ‘ইতিবাচক’ বললেও হোয়াইট হাউস জানায়, চূড়ান্ত সমঝোতা এখনও দূরে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে আলোচনার বার্তা, অন্যদিকে কঠোর হুঁশিয়ারি—এই দ্বিমুখী অবস্থান অঞ্চলকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের ব্যালিস্টিক কর্মসূচিতে ইসরায়েলি হামলায় সমর্থন মিলতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী দুই সপ্তাহে ইরানের নতুন পরমাণু প্রস্তাবই ঠিক করবে—মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতির পথে হাঁটবে, নাকি সংঘাতের দিকে এগোবে।