মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সৌদি আরামকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক অস্থিরতা যত দীর্ঘায়িত হবে, ততই বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ ও দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব বাড়বে।
তার মতে, মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে এ অঞ্চলে সংঘাত বা নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দিলে তা দ্রুতই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিফলিত হয়।
২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা এখনো অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সংঘাতে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উভয় পক্ষই এখনো সংঘাত অব্যাহত রাখার অবস্থান থেকে সরে আসেনি।
এদিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির আল-খারজ গভর্নরেটের পূর্ব দিকে একটি ড্রোন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে।
সৌদি সিভিল ডিফেন্স আরও জানিয়েছে, আল-জুলফি গভর্নরেটে একটি ড্রোন আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে কিছু সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হলেও বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, পরিবহন নৌপথ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের স্থিতিশীলতার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই।
আপনার মতামত লিখুন :